SonicRun.com Local Business Directory, Search Engine Submission and SEO Tools lil durk' name='msvalidate.01'/> জাহাজ নির্মাতা নূহ 4।কিতাবুল মোকাদ্দেস - Islamic story।কিতাবুল মোকাদ্দেস

Latest

Tuesday, September 17, 2019

জাহাজ নির্মাতা নূহ 4।কিতাবুল মোকাদ্দেস

জাহাজ নির্মাতা নূহ

ইতিহাসের প্রথম নৌকাভ্রমণ।

 বহু বছর পর পৃথিবীতে অনেক মানুষের জন্ম হলাে। দুঃখের বিষয় হলাে তারা। র খুব দুষ্ট হয়ে পড়ছিল। এ কারণে বন্যা পাঠিয়ে আল্লাহ তাদের ধ্বংস করবেন
বলে ঠিক করলেন। আল্লাহ যখন পৃথিবীর দিকে তাকালেন তখন নুহ নামে একজন ভালাে লােককে পেলো। যেহেতু হজরত নহ আল্লাহর বন্ধু ছিলেন সেহেতু তিনি তাকে বন্যার কায়া। বললেন। আল্লাহ তাকে বড় করে একটা জাহাজ বানাতে আদেশ দিলেন। কীভাবে শািবেন তাও তিনি তাকে বলে দিলেন।
 যেখানে জাহাজ ভাসানাের জন্য কোন পানিই ছিল না সেখানে হজরত নুহকে জাহাজ বানাতে দেখে দুষ্ট লােকেরা নিশ্চয় হাসি তামাশা করেছিল। কিন্তু আলাহর। আদেশমতাে হজরত নুহ জাহাজ বানানাের কাজ করতে থাকলেন। তিনি আল্লাহর কথা বিশ্বাস করেছিলেন। হজরত নুহ আল্লাহ সম্পর্কে মানুষের কাছে প্রচার করলেন এবং ভবিষ্যতে যে শান্তি আসছে তার সম্পর্কেও তাদের সতর্ক করলেন। একশ বছরেরও বেশি সময় পর অবশেষে জাহাজ তৈরির কাজ শেষ হলাে। আল্লাহ হজরত নূহকে তার আটসদস্যের পরিবার নিয়ে জাহাজে উঠতে বললেন।
 আল্লাহ। পত্যেক জীবজন্তু, পশুপাখি, বুকে হাটা প্রাণী ইত্যাদি জাহাজে তুলতে বললেন যেন প্রত্যেক জাত টিকে থাকে। নহপরিবারের সবাই এবং জোড়া জোড়া সবকিছু যখন। নিরাপদে জাহাজে উঠল তখন আল্লাহ নিজেই জাহাজের দরজা বন্ধ করে দিলেন। সাতদিন পর বৃষ্টি শুরু হলাে। একাধারে ৪০ দিনরাত অনবরত বৃষ্টি হলাে। 
এমনভাবে বষ্টি হলাে যেন আকাশের জানালা খুলে গেছে আর কেউ তা দিয়ে পানি। ঢালছে। যতক্ষণ না সমস্ত শুকনাে জমি ডুবে গেল এবং সকল প্রাণী মরে গেল ততক্ষণ বৃষ্টি ও বন্যায় সবকিছু ভাসিয়ে দিল।
 পৃথিবী থেকে অনেক উঁচতে শুধ। জাহাজটা নহ ও তার পরিবার নিয়ে পানির উপর ভেসে রইল। অনেকদিন পর। বন্যার পানি নেমে যেতে থাকল এবং জাহাজটা আরারাত পাহাড়ে গিয়ে ঠেকল। একদিন হজরত নূহ জাহাজের জানালা খুললেন এবং একটা কবুতর ছেড়ে দিলেন। সেই কবুতর কোথাও দাঁড়ানাের জায়গা না পেয়ে ফিরে আসল। একসপ্তাহ পর তিনি আবারাে কবুতরটাকে ছেড়ে দিলেন। এবার কবুতরটা ঠোটে করে একটি পাতা নিয়ে। জাহাজে ফিরে এলাে। হজরত নূহ বুঝলেন, এবার নিশ্চয় পানি গাছের নিচে নেমে গেছে। পরে সেই কবুতরকে তিনি আবারাে ছেড়ে দিলেন, এবার কিন্তু আর ফিরল

। তখন হজরত নুহ বুঝলেন যে, বন্যার পানি শুকিয়ে গেছে। আলাহ হজরত নুহ এবং তার পরিবারকে জাহাজ থেকে বেরিয়ে আসতে বললেন। হজরত নহ তাদের জীবন রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে খুবই কতজ্ঞ হলেন। তিনি একটি কোরবানগাহ তৈরি করে আল্লাহর এবাদত করলেন। আল্লাহ তখন আকাশে একটা সুন্দর রংধনু উঠালেন। তিনি হজরত নুহের কাছে প্রতিজ্ঞা করলেন যে আর কখনও মানুষকে এভাবে ধ্বংস করবেন না। রংধনু হলাে তারই চিহ্ন।

পয়দায়েশ ৬; ৭; ৮; ৯:১-১৮
So

No comments: